Archives for Uncategorized

You are here: Home » Uncategorized

“কাগজ আমি দেখাবো না। কাগজ আমরা দেখাবো না।” কদিন আগে বাংলার কিছু প্রথিতযশা শিল্পীরা দারুণ একটি ভিডিও পোস্ট করলেন । তাঁদের অভিনয় দক্ষতা নিয়ে কোন প্রশ্ন নেই। বিভিন্ন সময় তারা বিভিন্ন বস্তুর বিজ্ঞাপন করে থাকেন। সাবান, তেল, গাড়ি, বাড়ি, লোহার রড, সিমেন্ট। এখন সিপিএম ও তৃণমূলের কাছ থেকে টাকা নিয়ে ‘হিন্দু বিরোধী, রাষ্ট্র বিরোধী’ বিচার ধারার বিজ্ঞাপন দিচ্ছেন। এদেরই এক সাথী কয়েক বছর আগে সিঙ্গাপুরে সোনার দোকান থেকে গয়না চুরি করতে গিয়ে পুলিশের হাতে ধরা পড়েন । আমি জানিনা সেদিন তাঁদের কাগজ দেখাতে হয়েছিল কিনা। আমি নিজে একজন ফুটবলার ছিলাম, অল্প বিস্তর ফুটবল খেলেছি। খেলাধুলায় কোন জাত- পাত নেই, শিল্পের জন্যই শিল্পী। কিন্তু এই শিল্পীরা যেভাবে বাঙালী হিন্দু বিরোধী হয়ে উঠেছেন, নাগরিকত্বের বিরোধীতা করতে গিয়ে। বয়সের সাথে সাথে অভিজ্ঞতা বাড়ে, সেই উপলব্ধি থেকে আমার আশঙ্কা হয়, আগামী দিনে হিন্দু বাঙালীদের কাছে খুবই বিপদের দিন আসছে। আমার কথা বোঝার জন্য আপনাদের দুটো বই অবশ্যই পড়া উচিত। গীতা ও কোরান। দেখুন হিন্দুরা স্বভাবতই-উদার, দয়ালু ও বিভাজিত। সেই কারণেই হিন্দুদের উপর বারংবার আক্রমণ হয়েছে। ৮০০বছর ইসলাম রুল হয়েছে মুঘলদের সময়, তারপর ২৫০-৩০০বছর ইংরেজরাও রুল করেছে। অন্যদিকে ইসলাম ভীষণরকম United একত্রিত একটি শক্তি। গীতায় সর্ব ধর্ম সমন্বয়ের কথা বলা হয়েছে। আমরা শিক্ষা পেয়েছি, জীবে প্রেম করে যেই জন, সেই জন সেবিছে ঈশ্বর। আমরা জানি বসুধায়ঃ কুটুম্বকম। অর্থাৎ ভূপৃষ্ঠে যারা থাকেন তারা সকলেই আমার অতিথি। কিন্তু কোরানে কি বলছে, কোরানে বলছে ইসলাম এক ও একমাত্র ধর্ম। ইসলামের বাইরে যে ব্যক্তি অমুসলমান এক্ষেত্রে আমরা হিন্দুরা, তারা কাফের। এই কাফেরকে হত্যা করা বা ইসলাম ধর্মে রূপান্তর করা জন্নত বা স্বর্গ লাভের সমান। কোরানে দার-উল- ইসলামের ব্যাখ্যা রয়েছে। আপনারা অবশ্যই দার- উল-ইসলামের ব্যখ্যা পড়বেন। সেখানে ধর্ম নিরপেক্ষ দেশে যেখানে সরকার Minority বা divided Majority বা United Majority হয় । সেক্ষেত্রে মুসলমানদের ব্যবহার কেমন হওয়া উচিত। সে কথাও কোরানে বলা রয়েছে। আজ পিঁয়াজের দাম নিয়ে কথা হচ্ছে, বেকারত্ব নিয়ে কথা হচ্ছে, দেশের অর্থনীতি নিয়ে কথা হচ্ছে। হওয়াও উচিত, ছাত্র আন্দোলন হচ্ছে চারিদিকে। CPM এর প্রচ্ছন্ন মদতে ও TMC এর টাকায়। ৭০ এর দশকে ২ পয়সা ট্রাম ভাড়া বেড়েছিল কংগ্রেস সরকারের সময়। আপনাদের মনে আছে কতগুলো ট্রাম ও বাসে আগুন দিয়েছিল বামপন্থী নকশাল ছাত্ররা? নকশাল আন্দোলনের দ্বারা ছাত্র যুব সমাজের একটা প্রজন্ম নষ্ট হলো। একটা সময় সারা দেশ থেকে যাদবপুর, প্রেসিডেন্সি বা কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র ছাত্রীরা পড়তে আসতো। আজ বাংলার ছেলে মেয়েরা কোথায় যায়? দিল্লী, বম্বে হায়দরাবাদ, ব্যাঙ্গালোর । ৩৪বছর এই বাম শাসন কি দিয়েছে? ধর্মঘট, মিটিং, মিছিল, শতাধিক কলকারখানা Lock-out, বেকারত্ব! একটা সময় বাংলার অর্থনীতি ভারতের উপরের দিকে ছিল কিন্তু আজকে কোথায়? কাগজ আপনারা দেখাবেন না। কারণ আপনারা সোনার চামচ মুখে নিয়ে জন্মেছেন। স্বার্থ আপনাদের থেকে ভালো কেউ বোঝে না। CPIM এর মিছিলে একটা সময় হাঁটতেন এখন TMC মিছিলে হাঁটছেন। আগামীদিনে যদি BJP সরকারে আসে তাহলে BJP মিছিলে সর্ব প্রথম আপনাদের মুখই দেখা যাবে। কিন্তু সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করে তাঁদেরকে বিপদে ফেলবেন না।

আজ ক্ষীরপাই ও চন্দ্রকোনা, ঘাটালে #IndiaSupportsCAA সমর্থনে বিশাল জনসভায় অভিনন্দন বার্তা। @Bjp4Bengal Mission BJP4India

আজ ক্ষীরপাই ও চন্দ্রকোনা, ঘাটালে #IndiaSupportsCAA সমর্থনে বিশাল জনসভায় অভিনন্দন বার্তা। @Bjp4Bengal Mission BJP4India

“প্রধান মন্ত্রীর গালে, জুতো মারো তালে তালে!” এই স্লোগান ছিল ছাত্র সংগঠনের মিছিলে। যেদিন প্রধানমন্ত্রী কলকাতা এয়ারপোর্টে নামলেন সেদিন কৈখালিতে ছাত্ররা তুমুল আন্দোলন করলো, সারা কলকাতায় আন্দোলন হলো। আমরা আপনারা সকলেই দেখেছি। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর এই রকম অসম্মানিত হওয়ার কারণ কি? তার দোষ কি? ওনার দোষ হলো #CAA মাধ্যমে হিন্দু বাঙালী উদ্বাস্তুদের নাগরিকত্ব দেওয়া। উদ্বাস্তু কি? হঠাৎ হিন্দু বাঙালী নামের পাশে উদ্বাস্তু কথাটি এলো কেন? জিন্না পাকিস্তান চেয়েছিলেন। ১৯৪৭ সালে দেশ ভাগ হোল। গান্ধীজি দেশ ভাগকে সমর্থণ করেননি। ১৯৪৬ সালে দেশ ভাগের আগে জ্যোতি বসু ব্রিগেডে সুরাবর্দির সাথে আন্দোলন করলেন আগে পাকিস্তান স্বাধীন হবে তারপর ভারত সৃষ্টি হবে। পরিণামে: – জিন্নার নির্দেশে সুরাবর্দির নেতৃত্বে শুরু হলো Direct Action Plan. কি এই Direct Action Plan? অবিভক্ত বাঙলায় মুসলিম প্রধান অঞ্চলে কলকাতায় এবং নোয়াখালিতে হিন্দু নিধন। পুরুষদের হত্যা ও মহিলাদের ধর্ষণ করে খুন। ১৯৪৭ সালের ১৪ই আগস্ট বাঙলাদেশের খুলনা, ঢাকা, বরিশাল, ময়মনসিংহ, যশোর বা পদ্মা পাড়ের গ্রাম অঞ্চলে হঠাৎ করে বলে দেওয়া হলো এই দেশ তোমাদের নয়, তোমরা এখান থেকে চলে যাও। তাদের সেখানে জমি ছিল, পুকুর ছিল, গরু বাছুর ছিল। বাগানে আম, জাম , কাঁঠালের গাছ ছিল। হঠাৎ সব ত্যাগ করে তারা চলে এলো পশ্চিমবঙ্গে। পশ্চিমবঙ্গের কোথায় তারা থাকলো? বনগাঁ, বারাসত, বসিরহাট, ডায়মণ্ডহারাবার, কাকদ্বীপ, নদীয়া, মুর্শিদাবাদ ও মালদহে। দেশ ভাগের এক মাসের মাথায় সেপ্টেম্বর মাসে গান্ধীজি নেহেরু কে বললেন পূর্ব পাকিস্তানের বর্তমানে বাংলাদেশ, থেকে যে সকল হিন্দু ও শিখরা ভারতে আসতে চাইবে, ভারত সরকার যেন তাদের অন্ন, বস্ত্র ও বাসস্থানের ব্যবস্থা করে। আধ পেটা, অর্ধনগ্ন অন্ন, বস্ত্রের কথাতো ছেড়ে দিন। তাদের বাসস্থানের জায়গা হলো, পশ্চিমবঙ্গের যে জায়গা গুলির নাম বললাম সেখানকার রিফিউজি ক্যাম্পে নয়তো রেললাইনের ধারে। জ্যোতি বাবু আবার স্লোগান দিলেন- “আসছে কারা? বাস্তু হারা।” এই বাস্তুহারাদের রেশন কার্ড দেওয়া হলো। তাদের ভোট ব্যাঙ্ক বানানো হলো। রেশন কার্ড দিয়ে আপনি সরকারের ভর্তূকির টাকায় সস্তায় খাবার পেতে পারেন, নাগরিকত্ব নয়। তাদের জমির পাট্টা দেওয়া হলো, অর্থাৎ তুমি জমিতে থাকতে পারবে, কিন্তু মালিক নও। দলিল দেওয়া হয়নি। এইরকমভাবে দীর্ঘদিন নিপীড়িত, বঞ্চিত হিন্দু বাঙালি উদ্বাস্তু। কংগ্রেসের দোষে দেশ ভাগের জন্য যে কষ্ট পেয়েছে। তারা বামফ্রন্টের ভোট ব্যাঙ্কে পরিণত হলো। ১৯৫০ সালে নেহেরু ও লিয়াকত চুক্তি হলো। পাকিস্তানে হিন্দুদের ও ভারতে মুসলিমদের যেন ধর্মের কারণে প্রান না যায়। ভারত সেই চুক্তি পালন করলো কিন্তু পাকিস্তান ও বাংলাদেশ থেকে হিন্দু উদ্বাস্তুরা ভারতবর্ষে আসতে লাগলো। আজ ৭২ বছর পর নরেন্দ্র মোদী সেই সকল মানুষ যারা ভাগ্যের পরিহাসে দীর্ঘ দিন ধরে সামাজিক অনিশ্চতায় দু দুটো প্রজন্মকে নষ্ট করে ফেললেন, সেই মানুষদেরকে নাগরিকত্ব আইন দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদী। সেই কারণেই #CAA যার জন্য তৃণমূল এর চরম বিরোধীতা করছে। আপনি এর পক্ষে আসুন।

নেতাজী যখন স্বাধীন ভারতের পতাকা উত্তোলন করেছিলেন আন্দামানে, সেই সময় তিনি গান্ধীজিকে বলেছিলেন যে সমগ্র ভারতবাসী বোধয় পূর্ণ গণতন্ত্রের জন্য প্রস্তুত নয়। সেহেতু যদি স্বাধীনতার পর বছর খানেক সেনার দ্বারা শাসন কায়েম রাখা যায় তাহলে ভারতবাসী এক সুশৃঙ্খল জাতি হিসাবে গড়ে উঠবে। নেতাজীর দূরদর্শিতা অতুলনীয় এবং এই কারণে সারা পৃথিবী এই বীর বাঙালীকে সম্মান জানায়। কিন্তু সাম্প্রতিককালে মুষ্টিমেয় কয়েকজন বুদ্ধিজীবী বাঙালী যে ভাবে গণতন্ত্রের দুরপ্রয়োগ করছে তা সত্যিই নিন্দনীয়। গত 2দিন ধরে JNU নিয়ে বাঙলার সংবাদ মাধ্যম তোলপার। কিন্তু কি এই JNU? এটি হল 1969 সালে জওহরলাল নেহেরুর নামে তৈরি হওয়া একটি বিশ্ববিদ্যালয়, যার উদ্যেশ্যে ছিল সারা ভারতের মেধাবী ছাত্র ছাত্রীদের নামমাত্র খরচে উচ্চ শিক্ষা দেওয়া। এই ছাত্র ছাত্রীরা ‘আমার আপনার করের’ টাকায় উচ্চ শিক্ষা পেয়ে “ভারতবর্ষকে আবার জগৎ সভায় শ্রেষ্ঠ আসন লাভ করাবে” এই আশায় করা। কিন্ত তার পরিবর্তে JNU ছাত্র ছাত্রীরা কি করছে? যে আফজল গুরু 2001 সালে সংসদে আতঙ্কবাদি হামলা করেছিল এবং সুপ্রিমকোর্ট যাকে ফাঁসির সাজা দিয়েছিল সেই আফজল গুরুর পক্ষ নিয়ে JNU ছাত্র ছাত্রীরা স্লোগান দেয় अफजल हम शर्मिंदा हैं तेरे कातिल जिंदा है भारत तेरे टुकड़े होंगे इंशाल्लाह इंशाल्लाह আফজল হাম শরমিন্দা হে, তেরে কাতিল জিন্দা হে, ভারত তেরে টুকড়ে হোংগে, ইনশাল্লাহ ইনশাল্লাহ.. এখানেই তারা থেমে থাকেনি, তারা আরও বলেছিল:- तुम कितने अफजल मारोगे घर घर से अफजल निकलेंगे पकिस्तान जिंदाबाद कश्मीर मांगे आजादी, लडके लगें आजादी कश्मीर की आजादी तक जंग रहेगी , जंग रहेगी । भारत की बर्बादी तक जंग रहेगी जंग रहेगी । अफजल की हत्या नहीं सहेंगे नहीं सहेंगे । এটাই ছিল JNU ছাত্র ছাত্রীদের ব্যবহার। আর এই ছাত্র ছাত্রীদের অসভ্য ব্যবহারের সমর্থনে বাঙলার বুদ্ধিজীবীরা কাল মিটিং মিছিল করলেন অথচ গত দুদিন আগে দক্ষিন দিনাজপুরের কুমারগঞ্জের এক তরতাজা যুবতী প্রমীলা বর্মণ কে ধর্ষণ করে হত্যা করা হল এবং অভিযুক্ত ধর্ষকের নাম কোন এক মিয়াঁ, তখন কিন্তু এই বুদ্ধিজীবীরা কিছু বললো না। মাস খানেক আগে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়কে ভীষণভাবে হেনস্থা করা হল, তাঁকে বাঁচানোর জন্য রাজ্যপালকে আসতে হল। তখন কিন্তু এই বুদ্ধিজীবীরা দেখতে পাননা। তাদের চোখে ঠুলি পরা ছিল। তখন তারা মিছিলে হাঁটতে পারেন না কারণ তাদের কোমোড়ে বাত ছিল। এদের কান্ড কারখানা দেখে আমার যোগেন্দ্র নাথ মণ্ডলের কথা মনে পরে গেল। যোগেন্দ্র নাথ মণ্ডলের কথা আপনারা বোধয় খুব বেশী শোনেননি। অবিভক্ত বাঙলায় মোতুয়া এবং নমঃশূদ্র হিন্দুদের নেতা ছিলেন যোগেন্দ্র নাথ মণ্ডল। তিনি পাকিস্তানের সাথে দেশ ভাগকে সমর্থন করে পাকিস্তানের প্রথম আইন মন্ত্রী হন 1947 সালে। যদিও বাবা সাহেব অম্বেদকর তাঁকে বোঝানোর চেষ্টা করেছিলেন। তবুও কংগ্রেস ও কমিউনিষ্টদের প্ররোচনায় যোগেন্দ্র নাথ মণ্ডলের নেতৃত্বে ভারতবর্ষের সিল্হট্ট তৎকালীন পাকিস্তানে চলে যায়।

বারাসাত জেলায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে নাগরিকত্ব আইনের প্রয়োজনীয়তার কথা বলতে গেছিলাম। বাংলাদেশ থেকে আসা উদ্ধাস্তু মানুষের চোখে কৃতজ্ঞতার জল দেখে অবাক হলাম । #IndiaSupportsCAA Bjp4Bengal

বারাসাত জেলায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে নাগরিকত্ব আইনের প্রয়োজনীয়তার কথা বলতে গেছিলাম। বাংলাদেশ থেকে আসা উদ্ধাস্তু মানুষের চোখে কৃতজ্ঞতার জল দেখে অবাক হলাম । #IndiaSupportsCAA Bjp4Bengal

কৃষ্ণনগর থেকে ট্রেনে করে নদীয়া উত্তর জেলার সভাপতি আশুতোষ পালের নেতৃত্বে আমরা হাজার হাজার কার্যকর্তা কলকাতার মহামিছিলে যোগ দিলাম। তার কিছু মুহূর্ত । we support #CAA @BJP4Bengal @BJP4India

কৃষ্ণনগর থেকে ট্রেনে করে নদীয়া উত্তর জেলার সভাপতি আশুতোষ পালের নেতৃত্বে আমরা হাজার হাজার কার্যকর্তা কলকাতার মহামিছিলে যোগ দিলাম। তার কিছু মুহূর্ত । we support #CAA @BJP4Bengal @BJP4India

আচ্ছা বুদ্ধিজীবী মানে কি? বুদ্ধিজীবী মানে কি ভালো অভিনেতা অভিনেত্রী? আপনি টিভি তে, সিরিয়াল, সিনেমা, নাটক, থিয়েটারে ভালো অভিনয় করেন। ক্যামেরার সামনে কাঁদতে পারেন। চোখ দিয়ে টস টস করে জল বেরোয়, গ্লিসারিন লাগেনা। ভালো হাসতে পারেন। দেখতে সুন্দর। কথা ভালো বলেন। অর্থাৎ আপনি একজন ভালো অভিনেতা বা অভিনেত্রী। আপনার অভিনয়কে দর্শক পছন্দ করেন। তার মানে কি আপনি বুদ্ধিজীবী হয়ে গেলেন? আর আপনি যদি বুদ্ধিজীবীও হন তাহলে কি আপনার সেই অধিকার জন্মায় , ‘দেশের আইনকে চ্যালেন্জ করার’। আজকে ভারতবর্ষ পৃথিবীর সর্ব বৃহৎ গণতান্ত্রিক দেশ। সেই দেশের একটি নির্বাচিত সরকার রাজ্যসভা ও লোকসভায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা তর্ক, বিতর্ক ও যুক্তির মাধ্যমে, বিরোধী দলের নেতাকে বলার সুযোগ দিয়ে একটি আইন পাশ করেছে। সেই আইন কংগ্রেস, বামফ্রন্ট, তৃণমূল সুপ্রিমকোর্ট এ চ্যালেন্জ করছে । 59 টি কেস করা হয়েছে। যার সবকটিই সুপ্রিমকোর্ট নাকচ করেছে। তারপর রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষর নিয়ে একটা আইন পাশ হচ্ছে দেশের জন্য। আপনারা সেটা মানবেন না ? আর এই তাণ্ডবের জন্য দেশের সম্পত্তিতে আগুন দেওয়া হছে। দেশের কোটি কোটি টাকা নষ্ট হচ্ছে। কই অপর্ণা সেন, কৌশিক সেন আপনারা তো কিছু বলছেন না। আপনারা তো নির্বাক, চুপ। আপনারা তো বুদ্ধিজীবী, সারা পৃথিবীর খবর রাখেন। বলুন তো এমন কোন উন্নত দেশ আছে যেখানে নাগরিক আইন নেই ? আপনি আমেরিকা, ইংল্যান্ড, জাপান, সুইডেন, অস্ট্রিয়া জার্মানিতে চলে যেতে পারবেন ? সেখানে রেশন কার্ড পেয়ে যাবেন ? ভোটাধিকার পেয়ে যাবেন ? এটা কি সম্ভব ? উন্নত দেশের উন্নতি যদি সম্ভব হয়, তাহলে আপনি কি চান না ভারত উন্নতি করুক? রামচন্দ্র গুহ আপনি তো প্রখ্যাত ঐতিহাসিক। সারা পৃথিবীর ইতিহাস আপনি জানেন। বামপন্থাতে বিশ্বাস করেন। বামপন্থীরা তো ধর্ম মানে না, শ্রেনী মানে না। আজকে সোভিয়েত ইউনিয়ন ৭০বছর ধরে শ্রেণীহীন সমাজ রেখেছিল। তারপর হঠাৎ করে ভেঙে গিয়ে চারটি ইসলামিক রাষ্ট্র তৈরি হল। কাজাকিস্তান, উজবেকিস্তান, আজারবাইজান । এই দেশ গুলো তাহলে কেন হলো ? কাশ্মীর সমস্যা কি ভাবে এলো ? জওহরলাল নেহরু বলেছিলেন U N এর হস্তক্ষেপ চাই। আমার বাড়ীর সমস্যা। আমার দেশের সমস্যা। স্বামী স্ত্রীর মধ্যে সমস্যা হলে কি পঞ্চায়েত এসে মেটাবে ? আজকে আপনি চাইছেন গণ ভোট হোক U N এর মাধ্যমে।আপনি কি ভারতবর্ষকে কাশ্মীর করতে চান?

Citizenship Amendment Bill (CAB/CAA) নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ আজ উত্তাল। মুসলমানদের আন্দোলনে, মুসলমান শব্দটা আমি ইচ্ছাকৃত ভাবে প্রয়োগ করলাম কারণ আমাদের রাজ্যে মুসলিমদের তোষণ করার জন্য ও রাজনৈতিক লাভ নেওয়ার জন্য ‘সংখালঘু ভাই’ / ‘একটি সম্প্রদায়’ ইত্যাদি বিশেষণ প্রয়োগ করা হয়। পশ্চিমবঙ্গে 9 কোটি জনসংখ্যার মধ্যে 32% মানুষ মুসলিম ধর্মে বিশ্বাস করেন। অর্থাৎ তাদের নাগরিক অধিকার রয়েছে এই রাজ্যের উন্নতিতে শরিক হওয়ার। কিন্তু যে রাজনৈতিক দল এত বেশী মুসলিমদের নিয়ে বলছেন তাদের 294 টি বিধানসভাতে কতজন মুসলমান প্রার্থী রয়েছে এটি জনার জন্য আমার আগ্রহ থাকবে। ক্রমাগত মুসলমানদের ভূল বোঝানোর জন্য হঠাৎ করে স্ফূলিণ্গ যেভাবে বিস্ফোরণের আকার ধারণ করলো। গত 3-4 দিন ধরে ট্রেন ও বাসে আগুন লাগানো হলো । 300-350 কোটি টাকা নষ্ট হলো। হাজর হাজর মানুষ বাড়ি ফিরতে পারলো না ট্রেন অচল হওয়ার জন্য। দেড় লাখের বেশী ছাত্র ছাত্রী উৎকণ্ঠাতে ভুগছে পরীক্ষা বাতিল হওয়ার জন্য। Highway তে বাস, ট্রাক আটকে রয়েছে। শষ্য, আনাজ, ডিম, মাছ আটকে রয়েছে। আগামী সপ্তাহে যার মূল্য বৃদ্ধি হবে চাহিদা ও জোগানের মূল্য ফর্মুলায় ।উত্তরবঙ্গে দার্জিলিং, কালিম্পং, কার্শিয়ানং এ পর্যটন ব্যবসায় কোটি কোটি টাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মাশুল কে দেবে? এর প্রভাব রাজ্যের অর্থনীতিতে পড়বে। এর মাশুল দিতে হবে আপনার আমার মতো সাধারণ মানুষকে অথচ যার জন্য এই অশান্তি সেই নাগরিক বিল কি বলছে। এই বিল কি কখনো বলেছে পশ্চিমবঙ্গ থেকে মুসলমানদের তাড়ানো হবে বা কাউকে গৃহহীন করা হবে? না বলেনি এই নাগরিক বিল। এই বিল কারো নাগরিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার জন্য নয়। বরং যে সমস্ত মানুষ বাংলাদেশ,পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় কারণে গৃহহীন হয়ে বিতাড়িত হয়েছেন সেই মানুষদের বাঁচার সুরক্ষা ও নাগরিক অধিকার দেওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় সরকার এই নাগরিক বিল এনেছে। এই নাগরিক আইন যদি সত্যি বেআইনি হতো তাহলে গত তিন দিনে 59 টি কেস করেছে বামফ্রন্ট ও কংগ্রেস এর বাঘা বাঘা উকিল। সুপ্রিমকোর্ট কিন্তু সবকটি কেস কেই নাকচ করেছে। অর্থাৎ আইনের দিক থেকে কোনো ভূল কাজ করা হয়নি। আর যদি ভবিষৎ সুরক্ষার দিক থেকে প্রশ্ন করা হয়, যে সকল যুব সমাজের আমার ভাই বোনেরা তৃণমূলের মিছিলে ভিড় করছো তাদের জ্ঞাতার্থে জানাই 1947 সালে ভারতবর্ষে হিন্দুর সংখ্যা ছিল 84%, 2017 সালে কমে হয় 80% । পাকিস্তানে 1947 সালে হিন্দুর সংখ্যা ছিল 20% 2017 সালে কমে হয় 1.6% আর বাংলাদেশে 1971 সালে হিন্দুর সংখ্যা ছিল 22% সেটি 2017 সালে কমে হয় কেবলমাত্র 9%। আজকে এত লক্ষ্য লক্ষ্য মানুষ কোথায় গেল ? এরা যদি আমার আপনার বাবা, মা,ভাই, বোন, আত্মীয় পরিজন হতো তাহলে কি আমরা এতো সহজে ভূলে যেতাম ? তাহলে কি এই বিলের বিরোধীতা করতাম ? আমরা নিজের কবর নিজেই খুঁড়ছি না তো? ভারতবর্ষের সমৃদ্ধি ও উন্নতির জন্য সবাই মিলে উন্নতি করবো। কিন্তু আজকে যে মানুষেরা বাংলাদেশ ও পাকিস্তান থেকে বিতাড়িত হচ্ছে, আমাদের মনে রাখতে হবে ভারতবর্ষ ছাড়া তাদের যাওয়ার আর কোনো জায়গা নেই। যদিও মুসলিমদের যাওয়ার জন্য 57 টা ইসলামীক রাষ্ট্রীয় আছে। তাই আমি অনুরোধ করবো- আর একবার ভাবো, আর একবার চিন্তা করো এই নাগরিক বিলের বিরোধীতা করার আগে। #CAA #CAB Bjp4Bengal BJP4India

ঝাড়গ্রাম এর এক অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে শুভানুধ্যায়ী দের সাথে এক হালকা মুহূর্তে ।

ঝাড়গ্রাম এর এক অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে শুভানুধ্যায়ী দের সাথে এক হালকা মুহূর্তে ।

গুরুদেব #Srisriravishankar এর সাথে দেখা হওয়ার সৌভাগ্য হয়েছিল । তাঁর ধ্যান অভ্যাস ও শান্তির বাণী আমায় প্রভাবিত করেছে। It was an honour meeting gurudev @SriSriravishankar . His method of meditation and advice for peace have motivated me a lot.

গুরুদেব #Srisriravishankar এর সাথে দেখা হওয়ার সৌভাগ্য হয়েছিল । তাঁর ধ্যান অভ্যাস ও শান্তির বাণী আমায় প্রভাবিত করেছে। It was an honour meeting gurudev @SriSriravishankar . His method of meditation and advice for peace have motivated me a lot.

দেড় ঘণ্টারও বেশি সময় পার্ক সার্কাসের ভিড়ে আটকে ছিলাম। অসুস্থ রোগীকে নিয়ে অ্যাম্বুলেন্স যেতে পারে নি। স্কুল ফেরত বাচ্চাকে নিয়ে অসহায় মা দাঁড়িয়ে। রাজনৈতিক লাভের উদ্দেশ্যে একটি বিশেষ সম্প্রদায়কে তুষ্টিকরণ করতে করতে আমরা নিজেদের ভবিষ্যত্কে অন্ধকারে ঠেলে দিচ্ছি না তো?

দেড় ঘণ্টারও বেশি সময় পার্ক সার্কাসের ভিড়ে আটকে ছিলাম। অসুস্থ রোগীকে নিয়ে অ্যাম্বুলেন্স যেতে পারে নি। স্কুল ফেরত বাচ্চাকে নিয়ে অসহায় মা দাঁড়িয়ে। রাজনৈতিক লাভের উদ্দেশ্যে একটি বিশেষ সম্প্রদায়কে তুষ্টিকরণ করতে করতে আমরা নিজেদের ভবিষ্যত্কে অন্ধকারে ঠেলে দিচ্ছি না তো?