১। এই ম্যাচটায় হারের কোন গ্লানি নেই। কিন্তু এটিকের ফাইনালে না যাওয়ার আশঙ্কা দেখা গিয়েছিল দুটো ম্যাচ আগে থেকে। এটিকে যে ম্যাচ গুলো জিতেছে তাতে ডাউটি, হিউম, গাবিলান ও আরতা – এই চতুর্ভুজ কাজ করেছিল। মুম্বই সিটির বিরুদ্ধে গুরুত্বহীন ম্যাচে পুরো টিম খেলানো উচিত হয়নি। ৭৪ দিনে ১৬ টা ম্যাচ- ক্লান্তিকর। ওই দিন যদি চার জনকে বস্রাম দিতেন হাবাস, টা হলে প্রথম সেমিফাইনালে বোরখার মাসলে চোট হত না। বোরখার অভাব বোঝা গেল।
২। ০-৩ থেকে শুরু করাতাই অনেক চাপের ছিল। সেই চাপটা হাবাসের দল নিতে পারেনি।
৩। প্রথম ১৫ মিনিট চেন্নাই খেলল। বাকি ৭৫ মিনিট কলকাতা। কিন্তু প্রথম দিকে গোল পাওয়ার লাভ তুলতে পারল না টিম হাবাস। দ্বিতীয়ার্ধে লেকিচের হাফভলি বারের উপর দিয়ে মারা ও তিরির হেড বেটের কোনও মতে সেভ ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট।
৪। গত ম্যাচে যখন অমরিন্দর তিন গোল হজম করেছে , এদিন কি কালাতুয়েদকে নামানো যেত না?
৫। অমরিন্দর শেষ মুহূর্তে জঘন্য ভুলটা না করলে গোল হত না ফিকরুর। চেন্নাই তখন চাপে। কলকাতা কিন্তু ৩-০ করতেও পারত। ১-২ হওয়ার ম্যাচটা শেষ হয়ে গেল।
৬। এডেল বেটে ও ফিকরু- এই দুই বাতিল কলকাতার বিরুদ্ধে জান কবুল করল। বিশেষ করে বেটে।
৭। রিনো আন্টো ও মোহনরাজের ক্রস গুলো ভালো হল না। ফলে লেকিচের উচ্চতা কাজে লাগানো গেল না।
৮। ২-১ হওয়ার পর হিউমের হেডটা পোস্টে লাগল। বোঝা গেল চ্যাম্পিয়ন্স লাক বলে যে কথাটা আছে, টা কলকাতাকে ছেড়ে চলে গিয়েছে।
৯। হাবাসে পরিবর্তন কাজে লাগল না। শেষে ১৫-২০ মিনিটে বালদো কিংবা মারটিনকে নামানো উচিত ছিল। ঠিক যেমন ফিকরুকে নামিয়ে মাতোরাজ্জি বাজিমাৎ করলেন।
১০। মোহনরাজ ও অমরিন্দরের শেষ মুহূর্তে ভুল বোঝাপড়া ক্ষমার অযোগ্য। অথচ অমরিন্দর কি চমৎকার খেলেছে লিগের ম্যাচ গুলোয়।