গোয়া- ৫
কেরালা-১
দুর্ধর্ষ টিম দেখল কোচির জওহরলাল স্টেডিয়াম। ম্যাচের শুরু দেখে কখনই মনে হয়নি এর ফলাফল ৫-১ হতে পারে পারে। এই জয়ের এবং হ্যাটট্রিকের পর গোয়া সেমিফাইনালের তৃতীয় স্থান দখল করে নিল। আজকের হারের পর এই মরসুমে কার্যত বিদায় নিতে হল কেরালাকে।  আজকের এই দিনটা নিশ্চয় ভুলতে চাইবেন টেরি ফেলানের দল। বিশেষত বাই ওয়াটার।
ম্যাচের প্রথম ১ মিনিটে কেরালার গোল আসে। তা প্রায় ধরে নিয়েছে সবাই। আজও সেই কাজটাই করেন পুলগা।  ১ মিনিটের কিছু পরে জার্মানের অসাধারণ পাস থেকে ম্যাচের প্রথম গোল করেন পুলগা। কেরালা এই মরসুমে এত গোল করেও এগোতে না পারার কারন সব থেকে বেশি গোলও খেয়েছে তারাই। দলের আক্রমন ভাগ ভাল হলেও রক্ষণ ভাগ বেশ নড়বরে। আর আজও সেটাই তাদের হারের কারন হয়ে উঠল।
অসাধারণ টিম গেম উপহার দিল জিকোর ছেলেরা। কেরালার করা প্রথম গোলের কিছু পরেই জোফরের গোলে সমতায় ফিরে আসে গোয়া। তবে এই গোলের সমান অংশীদারি রেইনাল্ডো। রেইনল্ডো যেভাবে বল নামিয়ে বল পাস করেন। জোফরেও তার কাজটি ভুল করেননি। একেরপর এক গোল আসতে থাকে গোয়ার। আজকের ম্যাচে হ্যাট্রিকও করেন রেইনাল্ডো। সব শেষে মান্দার রাও দেসাই এর গোলকে দলএর জয় আরও নিশ্চিত করে দেয়।  জিকো নিশ্চয় খুশি হবেন তার দলের পারফর্মেন্সে।
তবে আজ খেলায় বেশকিছু অপ্রত্যাশিত ঘটনাও ঘটে। খেলার বিরতির মুহূর্তে জোফরে আর সুরিয়ায়সের ঝামেলায় লাল কার্ড দেখেন কেরালার এই ফুটবল। মৌরাও হলুদ কার্ড। ৪ টে হলুদ কার্ডের জন্য পরের ম্যাচে থাকতে পারবেন না মৌরা। হিরো অব দি ম্যাচ হন রেইনাল্ডো। দারুন পাস, হ্যাটট্রিক তাকে আজ এই সম্মান পেতে সাহায্য করে। ১২ ম্যাচে ৮ টি হিরো অব দি ম্যাচের পালক জুড়ল গোয়ার দলের ফুটবলারদের মাথায়। আজকের ম্যাচে বারবার চোখে পড়েছে কেরালার রক্ষন ভাগের দুর্বলতা। এই সুযোগ টাই কাজে লাগাল কলকাতা। এক ম্যাচ হাতে রেখেই তার সেমিফাইনালের প্রথম তিনে জায়গা করে নিল।