শেষ মুহূর্তের গোলে শেষ হাসি দিল্লির
কেরালাকে তাদের ঘরের মাঠে হারিয়ে দ্বিতীয় স্থানে দিল্লি। রবিবার জহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামের প্রায় ৬২ হাজার দর্শকের সামনে গাডজের গোলে ৩ পয়েন্ট তুলে নিল রবাতো কার্লোসের ছেলেরা।
এদিন প্রথম থেকেই দিল্লি আক্রমণাত্মক। তবে বার বার আক্রমণ করলেও গোল আসছিল না কিছুতেই। খেলার একদম অন্তিম লগ্নে ৮৫ মিনিটে গাডজের গোল সুপার সাব-এর তকমা দিল গাডজেকে। এদিনের হিরো অফ দ্য ম্যাচ- সন্দেশ জিংঘন, কেরালার রক্ষনে ভাল লড়াই করলেও শেষ পর্যন্ত দুর্গ অক্ষত রাখতে পারেননি। হলুদ ব্রিগেডের মাঝমাঠ থেকে আক্রমণের দায়িত্বে বিনিথ অনবদ্য হলেও গোলের দিশা পেতে ব্যর্থ।
দিল্লির স্যান্টোস এদিন ছিলেন দুরন্ত। সুযোগ পেলেই শট মেরেছেন প্রতিপক্ষের গোল লক্ষ্য করে। মালুদার কথা না বললেই নয়। এদিন ম্যাছের সেরা হতে পারতেন তিনি। মালুদা আজ গোল না পেলেও বার বার গোলের সুযোগ এসেছে তার পা থেকেই। এমনকি এদিনের একমাত্র গোলও তার ক্রস থেকেই এসেছে।
  তবে এদিন ম্যাচে নামার আগে থেকে আত্মবিশ্বাস হারিয়েছিলেন কেরালার কোচ পিটার টেলর। ঘরের মাঠে সমর্থকদের সামনে নামার চাপ ছিল তার মাথায়। এদিনের প্রথম একাদশে ৭ জন ফুটবলারের পরিবর্তন তা প্রমান করে। এছাড়া দ্বিতীয়ার্ধের ৫ মিনিটে কেরালার কোচ তার ৩ পরিবর্ত ফুটবলারদের মাঠে নামিয়ে দেন। এর ফলে বাকি ৪০মিনিটে আপৎকালীন পরিস্থিতিতে ফুটবলার পরিবর্তনের শেষ সুযোগ হাতে না রেখে সব শক্তি কাজে লাগিয়ে ফেলেন পিটার টেলর। এর থেকেই বোঝা যায় কতটা চাপে ছিলেন তিনি। কার্ড সমস্যায় এদিন মেহতাব ছিলেন মাঠের বাইরে। সেই কারনেও ভুগতে হয়েছে কেরালাকে।